Header Ads

ফণি আঘাত হানলে বেশী ক্ষতি হবে সন্দ্বীপে

দুই লাখ মানুষের জন্য নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্র নেই, বেশী ঝুঁকি উরিরচর ইউনিয়নে


নরোত্তম বনিক, সন্দ্বীপ
(০২-০৫-২০১৯ ০১১:১৭:৪৫)

ঘূর্ণিঝড় ফণি আঘাত হানলে নিরাপদ আশ্রয় পাবেনা সন্দ্বীপের প্রায় লক্ষাধিক মানুষ।
সন্দ্বীপের চার লক্ষ মানুষের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে ১১০টি। এগুলোর বেশীরভাগ কেন্দ্রে রয়েছে দুইতলার ভবন। ছোটবড় আয়তনের প্রতিটি আশ্রয় কেন্দ্রে ৩ থেকে ৮ শ পর্যন্ত মানুষ আশ্রয় নিতে পারবে।
এছাড়া আবাসিক ও বাণিজ্যিক, বিল্ডিং গুলোতে আশ্রয় নিলেও প্রায় দুই লাখ মানুষের জন্য নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্র নেই।


সন্দ্বীপের ১৫০ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ২৮ টি হাইস্কুল, ৫ টি কলেজ, মাদ্রাসা ও সরকারি ভবনসহ যেগুলোতে পাকা দ্বিতল ভবন রয়েছে সেগুলো আশ্রয়কেন্দ্র হিসাবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানা যাই।
তবে প্রয়োজনে বেসরকারি বহুতল ভবনগুলো আশ্রয়কেন্দ্র হিসাবে ব্যাবহার করা হবে। বেড়ীবাঁধ এলাকা থেকে মানুষজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে প্রতিটি ইউনিয়নের সরকারি কর্মকর্তাদের দিয়ে মনিটরিং সেল খোলা হয়েছে।
ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে গ্রাম পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবক দলের মাধ্যমে মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে আনার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। জেলেদের সাগরে না নামতে পুলিশের পক্ষ থেকে জেলেপাড়া গুলোতে সতর্ক করা হয়েছে। বিচ্ছিন্ন ইউনিয়ন উরিরচর বেশী হুমকির মুখে রয়েছে। চরে সন্দ্বীপের সীমানার প্রায় পঞ্চাশ হাজার মানুষের জন্য নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে ১০ টিরও কম।
এছাড়া কয়েক লাখ গবাদিপশুর জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ কিল্লা বা অন্যান্য আশ্রয়কেন্দ্র নেই। ফলে সেখানে মানুষ ও গবাদিপশুর জীবনের বেশি ঝুঁকি রয়েছে। সিপিপি'র পক্ষ থেকে সেখানে যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন করলেও নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র না থাকায় নিরুপায় হয়ে আছেন চরের বাসিন্দারা।
উরিরচরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুর রহিম বলেন, উরিরচরের চারপাশে কোন মজবুত বেড়িবাঁধ নেই।যেগুলো আছে তাও না থাকার মত প্রায়। এখানে প্রাইমারী ও হাই স্কুলের ৬ / ৭ টি বিল্ডিং ছাড়া ব্যাক্তিগত বিল্ডিং নাই। যদি কোনমতে ১০ থেকে ১৫ ফুট পানি উঠে তবে এখানে লাশের বণ্যা হবে।


No comments

Powered by Blogger.